প্রকাশিত: Thu, Mar 7, 2024 9:48 AM
আপডেট: Mon, Jan 26, 2026 2:01 PM

[১]ভূমি সেবা নিশ্চিতে অনিয়মের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: ভূমিমন্ত্রী

আনিস তপন: [২] জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) তাদের নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো-টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। সততা ও স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং এসব নির্দেশনা মেনে চলা গণকর্মচারীর দায়িত্ব।

[৩] বুধবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলনে ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত কার্য অধিবেশনে ডিসিদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনা দেয়ার সময় এ কথা বলেন, ভূমিমন্ত্রী। 

[৪] তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে জবাবদিহিতা ও শুদ্ধাচারের সংস্কৃতি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

[৫] মন্ত্রী ডিসিদের জানান, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের বিধিমালার খসড়া প্রণয়ন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এক মাসের মধ্যে বিধিমালা জারি হবে। চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ইতোমধ্যে বিধিমালা ছাড়াই বিচারিক আদালতের এখতিয়ার অনুযায়ী ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে মামলা গৃহীত হয়েছে। ভূমিমন্ত্রী বিধিমালা জারির সঙ্গে সঙ্গে এই আইনের মাধ্যমে ভুক্তভোগী ও ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতিকার প্রদানের জন্য সর্বাত্মক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেন।

[৬] প্রধানমন্ত্রী তাঁর পরিকল্পনায় খাদ্য নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন উল্লেখ করে ভূমিমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৃষিজমি সুরক্ষা অপরিহার্য। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন ৩ ফসলি জমি ফসলাদি উৎপাদন ব্যতীত কোন কাজেই ব্যবহার করা না হয়। ২ ফসলি জমিও রক্ষা করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 

[৭] এসময় ভূমি সচিব ডিসিদের উদ্দেশ্যে বলেন, নতুন তিনটি ভূমি সংশ্লিষ্ট আইনের বিধিমালা তৈরির কাজ চলমান। ভূমি মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে শূন্য পদে নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় পদ সৃজনে কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী কর্মকর্তা ও সার্ভেয়ার পদে নিয়োগ হয়েছে এবং অন্যান্য পদেও নিয়োগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে নৈশ প্রহরী নিয়োগের জন্য নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। এসময় তিনি জেলা প্রশাসকদের ভূমি মন্ত্রণালয়ের ১৮০ দিনের কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে নির্দেশ দেন।

[৮] সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডিসিরা নতুন আইনের বিধিমালা, খাসজমি, নামজারি, হাট ও বাজার, ভূমি অফিস নির্মাণ, জলমহাল, পার্বত্য অঞ্চলের ভূমি ব্যবস্থাপনা, কোর্ট অফ ওয়ার্ডস, ভূমি সংশ্লিষ্ট জনবল ও প্রশিক্ষণ, ডিজিটালাইজেশন, ভূমি ব্যবস্থাপনায় উদ্ভাবনসহ ভূমি সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ে তাদের মতামত দিয়েছেন। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব